লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় শুক্রবার রাতে স্বামীর বাড়ির সামনের রাস্তায় সন্তানকে শুইয়ে রেখে সারারাত বসে কাটিয়েছেন রেবিনা বেগম। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে স্বামীর বাড়িতে আসলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে মারধর করে তাড়িয়ে দেয়। এরপর থেকে সন্তানকে নিয়ে অনশন শুরু করেন রেবিনা।
স্ত্রীকে যৌতুকের টাকার জন্য নির্যাতন করতেন তার স্বামী এমদাদুল ইসলাম। স্থানীয়ভাবে কয়েকবার সালিশী করে ও কোন সমাধান হয়নি। স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে বাবা বাড়ি এসে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। আদালতে মামলা চলাকলীন এমদাদুল ইসলাম আরেকটি বিয়ে করেন। স্বামীর বিয়ের খবর শুনে রেবিনা বেগম সন্তান রাহুলকে (৭) নিয়ে স্বামীর বাড়ি সামনে দুইদিন ধরে অনশন শুরু করছেন।
রেবিনা বেগম বলেন, স্বামীর বাড়িতে আসলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। আমি আমার সন্তান ও স্বামীর অধিকার নিয়ে এসেছি। আমার স্বামীকে ডিভোর্স করিনি তাই আমার অধিকার আছে। আমার স্বামীকে ফিরে পেতে চাই। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া হতেই পারে তাই বলে আমার অনুমতি না নিয়ে অন্য জায়গায় বিয়ে করতে পারে না। আমি সন্তানকে নিয়ে সারারাত রাস্তায় বসে থাকব। সমাধান না পেলে সন্তানকে নিয়ে আত্মহত্যা করব।
