চ্যাম্পিয়নস
লিগের গত মৌসুমে ম্যানচেস্টার
ইউনাইটেডের কাছে হেরে বিদায়
নিয়েছিল পিএসজি। শেষ
ষোলো ফিরতি লেগের সেই
ম্যাচে হারের পর উয়েফাকে
গালাগাল করেছিলেন নেইমার। এ
জন্য তাঁকে তিন ম্যাচ
নিষিদ্ধ করেছিল উয়েফা।
পিএসজি এ শাস্তির বিপক্ষে
আপিল করলেও কাজ হয়নি। চ্যাম্পিয়নস লিগের গত মৌসুমে
শেষ ষোলো ফিরতি লেগে
পিএসজির ম্যাচটা মনে আছে? শেষ
মুহূর্তের বিতর্কিত পেনাল্টিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের কাছে হেরে বিদায়
নিয়েছিল পিএসজি। ম্যাচের
পর নেইমার ইনস্টাগ্রামে গালাগাল
করেছিলেন উয়েফাকে।এ
জন্য পিএসজি তারকাকে তিন
ম্যাচ নিষিদ্ধ করেছিল ইউরোপিয়ান ফুটবলের
নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা।
শাস্তির বিপক্ষে আপিল করেছিল নেইমারের
ক্লাব পিএসজি। কিন্তু
উয়েফা সেই আপিল খারিজ
করে শাস্তি বহাল রেখেছে। অর্থাৎ
চ্যাম্পিয়নস লিগের আগামী মৌসুমে
প্রথম তিন ম্যাচ খেলতে
পারবেন না ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড।
চোটের কারণে নেইমার এখন
মাঠের বাইরে। তাঁর
দেশ ব্রাজিল লড়াই করছে কোপা
আমেরিকায়। চ্যাম্পিয়নস
লিগ শেষ ষোলোর দুটি
ম্যাচও চোটের কারণে খেলতে
পারেননি নেইমার। ফিরতি
লেগ ম্যাচটা দেখেছিলেন গ্যালারিতে বসে। কিন্তু
বিতর্কিত পেনাল্টিতে দল হারায় রীতিমতো
মুখ খারাপ করে গালি
দিয়েছিলেন নেইমার। পেনাল্টি
থেকে রাশফোর্ডের গোলে হার নিশ্চিত
হয় পিএসজির। আর
এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন
নেইমার। ভিডিও
অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সাহায্য নিয়ে
মাঠের রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত
দিয়েছিলেন পিএসজির প্রেসনেল কিমপেম্বের হাতে বল লাগার
জন্য। যদিও
অনিচ্ছাকৃতভাবেই তাঁর পেছনের হাত
ছুঁয়ে চলে যায় বল।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে হ্যান্ডবলের ছবির স্ক্রিনশট পোস্ট
করে নেইমার লেখেন, ‘এটা
লজ্জার। উয়েফা
এখনো চার ব্যক্তির ওপর
দায়িত্ব দিয়ে যাচ্ছে, যারা
ফুটবল ও ভিএআর রিভিউ
নিয়ে কিছুই জানে না। এটি
হ্যান্ডবল না। পেছনে
হ্যান্ডবল হয় কীভাবে?’ এতটুকু
বলেই উয়েফাকে বেশ কিছু খিস্তিখেউড়
করেন
নেইমার। আর
সেটাই নজরে আসে ইউরোপের
ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার। শাস্তি
বহাল থাকায় চ্যাম্পিয়নস লিগের
আগামী মৌসুমে গ্রুপপর্বের প্রথম
তিন ম্যাচে খেলতে পারবেন
না নেইমার।
