ইরানের
সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ
আলি খামেনির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি
করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর
প্রতিক্রিয়ায় মঙ্গলবার ইরান বলছে, এ
নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক পথ ট্রাম্প নিজেই
বন্ধ করে দিলেন।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ এক
টুইটবার্তায় বলেন, ট্রাম্পের নতুন
এ পদক্ষেপে দুদেশের চলমান উত্তেজনার আগুনে
আরও ঘি ঢেলে দিল। ট্রাম্পের
এমন সিদ্ধান্তকে ‘ঘৃণ্য কূটনীতি’ হিসেবে
আখ্যা দিয়েছেন তিনি।
মার্কিন ড্রোন ভূপাতিত করা এবং আরও কিছু কারণে সোমবার নতুন করে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ট্রাম্প। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কার্যালয়ও। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, খামেনির সম্পদের পরিমাণ প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি ডলার। মার্কিন রাজস্বমন্ত্রী স্টিভ মিনুশিন এমনুচিনের মতে, এ সপ্তাহের শেষ নাগাদ ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।
২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে সরে গিয়ে ২০১৮ সালের মে মাসে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন। এর পর দুই দেশের সম্পর্ক তিক্ততার দিকে যেতে থাকে। পরে ইরানের ওপর আরও চাপ বাড়ায় যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি ইরানের কাছ থেকে যারা তেল কেনে, তাদেরও নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনার পদক্ষেপ নেয় যুক্তরাষ্ট্র। পরে ওমান উপসাগরে তেলের ট্যাঙ্কারে কয়েকটি হামলার ঘটনাও ঘটে। এর পর ইরানি কর্মকর্তারা তাদের ইউরেনিয়াম মজুদের সীমা বাড়ানোর কথা ঘোষণা করেন। এর কয়েক দিনের মাথায় ইরানি হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন ভূপাতিত হওয়ার ঘটনা ঘটে। ইরানের দাবি, মার্কিন গুপ্তচর ড্রোনটি তাদের ভূখণ্ডে এসেছিল। আর যুক্তরাষ্ট্র বলছে, এটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় ছিল।

